দিল্লীর অক্সিজেন বার, দিল্লীর অক্সিজেন হাব
দিল্লীর অক্সিজেন বার। দিল্লীর অক্সিজেন হাব
দিল্লির অক্সিজেন বার
দিল্লিতে শুরু হলো ভারতের প্রথম অক্সিজেন বার। যেখানে আপনি প্রায় ১৫ মিনিটের জন্য ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ খাঁটি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারেন, যার ভারতীয় মুদ্রায় দাম ২৯৯ টাকা। এই অনন্য অক্সিজেন বারটি মে মাসে চালু হয়েছিল এবং গ্রাহকরা বিভিন্ন ধরনের অ্যারোমা এর সাথে বেছে নিতে পারেন, যা অক্সিজেনের সাথে আপনি ইনহেল করতে পারেন এবং এটি গন্ধহীন। এই বারে পাওয়া অ্যারোমাগুলির মধ্যে রয়েছে ল্যাভেন্ডার, ইউক্যালিপটাস, লেমনগ্রাস, চেরি এবং আরও অনেক কিছু।![]() |
অক্সিপিওর দিল্লির অক্সিজেন হাব |
গ্রাহকেরা কি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে
গ্রাহকদের একটি অনুনাসিক ক্যানুলা দেওয়া হয়, এটি একটি হালকা ওজনের নল। যা পরিপূরক অক্সিজেন গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই নলটি গ্রাহকের নাকের অর্থাৎ নাকের ফুটোর কাছে রাখা হয় যার মাধ্যমে গ্রাহকদের সুগন্ধযুক্ত অক্সিজেন সহ শ্বাস নেওয়ার কথা বলা হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে এই নলটি একবারই ব্যাবহৃত হয়, অর্থাৎ যে কোনো একজন গ্রাহকের জন্য যে নলটি দেওয়া হয় তা অন্য কোনো গ্রাহককে দেওয়া হয়। নতুন গ্রাহকের জন্য পুনরায় নতুন নল ব্যাবহার করা হয়।![]() |
অক্সিজেন বারে অক্সিজেন গ্রহণ |
আপনি কি জানেন আপনার পাদ অন্যের জন্য উপকারী
কিভাবে এটি সম্পন্ন হয়?
টিউবগুলির মাধ্যমে বিতরণ করা বায়ু বা অক্সিজেনগ্যাস আশেপাশের বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত অক্সিজেনের একটি শুদ্ধ সংস্করণ। তাদের পরিষেবাগুলি নিখুঁতভাবে স্পা পরিষেবাদির মতো পুনরুজ্জীবন সরবরাহ করার জন্য। অর্থাৎ নল গুলি যে মেশিনের সাথে যুক্ত সেই মেশিনটি আশেপাশের হাওয়াকে পিউরিফাই বা বিশুদ্ধ করে, এবং মেশিন থেকে সেই বিশুদ্ধ অক্সিজেনযুক্ত গ্যাস নলের মধ্যে দিয়ে গ্রাহকদের পছন্দমত ল্যাভেন্ডার, লেমনগ্রাস, চেরি এবং ইউক্যালিপটাসের মতো বিভিন্ন অ্যারোমা দিয়ে শ্বাস নেওয়ার জন্য ব্যাবহার করে।
প্রতিষ্ঠাতা
দিল্লির এই অক্সিজেন বারটি আর্যবীর কুমার এবং মার্গারিটা কুর্তসিয়ানা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত।আর্যবীর কুমার এই বিষয়ে বলেছেন যে, অক্সিজেন বিশ্বে অক্সিজেন তৈরিতে ব্যবহৃত মেশিনগুলি অক্সিজেন বারস নামে একটি মার্কিন সংস্থা থেকে তৈরি করা হয়েছে, যা গ্যাসের ৯৯ শতাংশ স্তর নিয়ে বায়ু তৈরি করে। এবং যেহেতু গ্রাহকের নাকের নীচে টিউবটি শক্তভাবে আটকে থাকে না, ফলে সংশোধন যুক্ত অক্সিজেনগ্যাস টির সাথে সাথে অন্যান্য বায়ুমণ্ডলীয় গ্যাসগুলিও গ্রাহকেরা নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করে। অবশেষে ৩০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে ঘনত্বতে পৌঁছায়।
![]() |
| দিল্লির অক্সিজেন বার |
ধারণার সূত্রপাত
দিল্লিতে এই জাতীয় বার খোলার পেছনের কারণ কি, এ বিষয়ে উল্লেখ করে এর প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন যে লস অ্যাঞ্জেলেসে তিনি ২০১৫ সালে প্রথম এই ধরনের বারটি দেখেছিলেন। এই প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেছেন যে লস অ্যাঞ্জেলেসে দেখা তার প্রথম অক্সিজেন বাড়টির ধারণা তার দারুন লেগেছিল, এবং তখন থেকেই তিনি চেয়েছিলেন ভারতেও তেমন কিছু খুলবেন।ভবিষ্যত পরিকল্পনা
শীঘ্রই, তিনি ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল 3 এ এই জাতীয় বারটি খুলবেন বলে ভেবেছেন, পরবর্তীতে তিনি ভারতের অন্যান্য জায়গাতেও এই জাতীয় বার খোলার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। অদূর ভবিষ্যতে এই বারের ক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজিও শুরু করতে পারেন বলে তিনি জানান।![]() |
| অক্সিজেন বার দিল্লিতে |
চলুন দেখে নিন পুরুষের পেনিস ছোট হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের কারণে
এবার আসি আসল কথায়
তাহলে বলা যায় অক্সিজেনের ব্যাবসা নিয়ে যে গুজব চলছিল তা বাস্তবে বাস্তবায়ন হলো অর্থাৎ প্রকৃতির বিনামূল্যের অক্সিজেন নিয়ে ব্যবসা শুরু হয়ে গেল। কয়েক বছর আগে যেমন জন্ম হয়েছিল পানীয় জল ব্যবসার, আর এখন পানীয় জল ব্যবসার রমরমা। ঠিক একই অবস্থা হাওয়া নিয়ে। দুর্ভাগ্যের বিষয় এই যে আমাদের দেশে আর্যবির কুমারের মত লোকেদের অভাব নেই। আর্যবীর কুমার যে মানুষের স্বার্থে অক্সিজেন বার খোলেনি তা বলাই যায়। এরা পাক্কা ধান্দাবাজ লোক, ব্যবসা, ছাড়া কিছু বোঝেনা। কারণ অার্যবির কুমারকে যখন অক্সিজেন বারের ব্যবসা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল তখন তিনি বলেছিলেন, এর দ্বারা ভালো ব্যবসা করা যাবে এবং ভালো উপার্জন করা যাবে। তিনি আরো বলেন আমরা কি কখনো ভেবে ছিলাম আমাদের বোতলে বোতলে জল কিনতে হবে!![]() |
| বায়ু দূষণ, প্রকৃতি দূষণ |
যারা লেখাটা পড়ছেন তারা একটু সতর্ক হোন এবং নিজ উদ্যোগে গাছ লাগাতে শুরু করুন, গাছ বাঁচানো শুরু করুন এবং অন্যদেরও এই বিষয়ে সাহায্য করুন। অক্সিজেন বারের মত ধারণাগুলো তাদেরই ভালো লাগবে যাদের পকেট ভর্তি টাকা আছে, (ব্যাতিক্রমীরা নজর দিন) যারা লেট নাইট পার্টিতে গিয়ে দেদার ফুর্তি করে টাকা উড়ায় তারা এবার তাদের টাকা উড়ানোর ক্ষেত্র হিসাবে এই ধরনের অক্সিজেন বার ব্যবহার করবে। আবার কিছু লোক অক্সিজেন বারে যাবে, টাকা দিয়ে অক্সিজেন গ্রহণ করবে আর বাকিদের কাছে গালগপ্প করবে, নিজেদেরকে অতি আধুনিক প্রকাশ করবে। এক্ষেত্রে আমাদের আদর্শ হওয়া উচিত যাদভ মুলাই পায়েং দের মতো মানুষ।
তথ্যগুলি ইন্টারনেট এবং ম্যাগাজিন দ্বারা সংগৃহিত
সমস্ত ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত





মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
DEAR READERS, ANY SUGGETION FOR THIS BLOG AND ANY KIND OF POST, PLEASE COMMENT. BECAUSE YOUR VALUABLE COMMENT WILL BE TAKEN HAPPILY. IF YOU HAVE ANY DOUBT PLEASE LET ME KNOW.