কলার খোসার উপকারিতা
কলার খোসার উপকারিতা
ফল বা সবজির খোসা ছাড়িয়ে খাবার অভ্যাস আমাদের। এর কারণ গুলো গুরুত্বপূর্ণ, যেমন ফল বা সবজির ফলন বা পোকা দমনে কীটনাশকের উপস্থিতি, এছাড়া চকচকে করতে বিভিন্ন রাসায়নিক মিশ্রণে ডুবিয়ে রাখা, এর গায়ের উপর দিয়ে প্রলেপ দেওয়া পবিত্র বিভিন্ন কারণে আমরা ফল বা সবজির খোসা ছাড়িয়ে খাই। কিন্তু বর্তমানে বিজ্ঞানীদের গবেষণা বলছে অন্য কথা। গবেষকরা বলছেন, কিছু কিছু ফল বা সবজির খোসা না ছাড়িয়া যাইতে পারে প্রয়োজন সেই ফল বা সবজি দিকে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া। বিজ্ঞানীরা বলেছেন কিছু ফল বা সবজির খোসা ছাড়িয়ে রান্না করলে বা খেলে তার আসল পুষ্টিগুণ চলে যায়। এখানে সেই ফল বা সবজির খোসায় রয়েছে মানবদেহের প্রয়োজনীয় কিছু পদার্থ যা আমাদের শরীরের পক্ষে উপকারী। এরকমই প্রয়োজনীয় একটি ফল হলো কলা, তাহলে চলুন দেখে নিই, কলার খোসার উপকারিতা:
![]() |
| কলার খোসা image source Google |
১) চামড়ায় ভাঁজ পড়বে না
বলিরেখা এবং বয়সের ছাপ পড়া কমাতে মুখে খোসার ভেতরের আবরণ ঘষুন। অবশিষ্টাংশ কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং তারপর ভালো করে পরিষ্কার করুন।কলা যদি কিছুটা পচে যাওয়া মত অবস্থা হয়, এবং আপনার খেতে ইচ্ছে না করে ফেলে দিবেন না। কলার খোসা হাতের উপরিতলে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখলে কালো কালো ছোপ বা হাতের কালোভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
২) পরিষ্কার সাদা দাঁত পেতে
দাঁত পরিষ্কার ও ঝকঝকে করতে কলার খোসা উপকারী। কলা খেয়ে খোসা দিয়ে কিছুক্ষণ দাঁত ঘষে নিন। প্রয়োজনে অবশিষ্টাংশ বের করতে টুথপেস্ট এর সাহায্য নিতে পারেন। কিছুদিন এই পদ্ধতি অবলম্বন করুন। পাতিলেবু অথবা কমলালেবুর খোসা দিয়েও একই কাজ করা যেতে পারে।৩) অবসাদ কাটাতে
কলার খোসা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। এতে অবসাদ দূর হয়৷ কলার খোসায় মুড-নিয়ন্ত্রণ রাসায়নিক সেরোটোনিন থাকে প্রচুর পরিমাণে৷সেই সেরোটোনিন শরীরের অবসাদ দূর করে।আমরা হয়তো অনেকেই জানি না, অনেক ফল ও সবজির সাথে সাথে তাদের খোসা ছাড়িয়ে ফেলে না দিয়ে তাদের খোসাও আমরা নির্দ্বিধায় খেতে পারি। বিজ্ঞানীরা তো বলেন।
![]() |
| Banana Shell image source Google |
৪) অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়
চোখে ছানি পড়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারে কলার খোসা। কলার খোসায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট লুটিন থাকে৷অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব থেকে বাঁচায় এই লুটিন৷৫) সিডি বা ডিভিডির ক্যাসেট
সিডি বা ডিভিডি ক্যাসেট স্ক্র্যাচ দূর করতে কলার খোসা ব্যবহার করা যেতে পারে।৬) জুতা চকচকে করতে
জুতা চকচকে করতে সু পলিশ না থাকলে কলার খোসা ব্যবহার করা যেতে পারে বিশেষ করে পাকা কলার খোসা। পাকা কলার খোসার ভেতরের অংশটা দিয়ে ৫ মিনিট ঘষে পাতলা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করলে জুতো চকচকে হয়ে উঠবে।অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় ভেবে যে কলার খোসাকে আমরা ফেলে দিতাম সেই খোসাই আমাদের শরীরের পক্ষে প্রয়োজনীয় এবং আমাদের নিত্যদিনকার বিভিন্ন কাজে এই কলার খোসা হয়ে উঠছে অপরিহার্য।


মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
DEAR READERS, ANY SUGGETION FOR THIS BLOG AND ANY KIND OF POST, PLEASE COMMENT. BECAUSE YOUR VALUABLE COMMENT WILL BE TAKEN HAPPILY. IF YOU HAVE ANY DOUBT PLEASE LET ME KNOW.